unworthy, Einherjar

অফিস থেকে বের হলাম সন্ধ্যার একটু পরে। কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে হাটা দিলাম, বাসায় যেতে বেশীক্ষন লাগবে না। এই ব্যাপারটা আমার জন্যে থেরাপিউটিক। এই কানে হেডফোন গোঁজা ব্যাপারটা। আমি নিজে দশ বছর পর পর নতুন প্লেলিস্ট বানাই। কিছুদিন আগেও বানিয়েছি, অনেক আয়োজন করে। নতুন দশকের নতুন প্লেলিস্ট। তার আগ পর্যন্ত পুরাতনটাই চলেছে। পুরানো স্যান্ডেলের মত। জোড়াতালি মেরে চলেছে।

বসুন্ধরায় ভার্সিটি করার সময় প্রতিদিন ক্লাস শেষে লাফ দিয়ে ফাল্গুন বাসে উঠে যেতাম, সারাটা রাস্তা গান চলতো। গুলশানে অফিস করার সময় প্রতিদিন অফিস শেষে সিএনজিতে বসে গান শুনতাম আর বদঅভ্যাসটা চলতো। “ইঁদুর দৌড়ের” প্রতিযোগী ইঁদুরের জন্যে এটাই ছিলো একমাত্র অ্যাভেইলেবল ও পসিবল থেরাপি। কারন ঘরে বাইরে কোথাও শান্তি নেই, সবখানে এটা লাগবে ওইটা লাগবে। সুতরাং ওই কয়টা গান শোনার সময়টুকুই ছিলো অবসর। শুনতান, টানতাম আর পড়তাম। এই থেরাপির লোভে নানান অজুহাতে বাপের কেনা গাড়ীটা এড়িয়ে চলতাম। ভিড়ের মধ্যে সবার কাছ থেকে লুকানো যায়, লাখ-টাকার যন্ত্রের ভেতর এসির ঠান্ডা বাতাসে লুকানো যায় না।

যাই হোক, রাস্তা পার হতে হবে, ডানে বামে ঘাড় ঘুরালাম। পেছনে বিল্ডিংয়ের গেটে বসা সিকিউরিটি গার্ড ছেলেটা এক পলক এদিকপানে দেখে আবার রাস্তার গাড়ি গোণায় মনযোগ দিলো। আমার কাব্যিক রঙঢঙে তার কোনো ইন্টেরেস্ট নাই। এই ছেলেটাও মফস্বল থেকে মাস্টার্স পাশ করে আসা। লটারী ভাই, সবই লটারী।

রাস্তাটা পার হতেই বৃষ্টি ধরে ফেললো। কোয়ারেন্টিনের ছয় মাস পুরোনো দাড়িগোফের জঙ্গল, মাথায় বাবরি আর পায়ে সস্তা স্কয়ার হাসপাতালের স্লিপারের কথা ভেবেই মনটা ভালো হয়ে গেলো।

যাক, আজকে ভেজা যাবে।

জ্বর আসলে কি হবে? ভিজবো? আসুক। তখন সারাদিন রিকশা নিয়ে ঘুরবো। গাড়ির ভেতর জ্বর মুখে নিয়ে বসে থাকাটা একটা বিরক্তিকর ব্যাপার। এরকম নিরিবিলি আরাম আরাম একটা পরিবেশে ক্যান যন্ত্রণা হবে? যন্ত্রণা উপভোগ করার সেরা ভেহিকল হচ্ছে রিকশা।

একটু সিনেম্যাটিক জ্বর। নিজেকে মনে হবে আলমগীর নইলে জসীম, জ্বর নিয়ে কষ্ট করে বাড়ী ফিরছি। সেখানে শাবানা সেলাই মেশিন নিয়ে অপেক্ষায়…
“ওগো, আজ এত দেরি করে বাড়ী এলে। আমি সেলাই মেশিন দিয়ে ভাত রান্না করেছি। তোমার ফেভারিট”…

যাই হোক, বাপের কেনা গাড়ির ভেতর জ্বর মুখে নিয়ে বসে থাকাটা একটা বিরক্তিকর ব্যাপার। ছিমছাম সুশীল আরাম আরাম একটা গুলশান ভাবী মার্কা পশ পরিবেশে যন্ত্রণা হওয়াটা মানানসই না?

যন্ত্রণা হবে শহরের হট্টগোলে। রিকশাচালকের অমানুষিক কষ্ট, তার সাথে আমি রিকশায় বসে জ্বর নিয়ে কষ্ট করে বসে থাকবো, রিকশাটার নিজের লক্করঝক্কর কলকব্জায় কষ্ট থাকবে, আসেপাশে ছুটে চলা মানুষ কষ্ট করবে, মগবাজারে দুইবাসের নিচে চাপা পরা মাস্কবিক্রেতা কিশোরের কষ্ট, কোন প্রোটেস্ট না হওয়ার কষ্ট, জাদুর শহরের হাউকাউ কাউমাউ, উন্নয়নের চাকা ভাঙ্গা রাস্তায় আছাড় খাবে, তেলাপোকার মত কিলবিল করতে থাকা মটরবাইক আর দেখলেই মনে হয় ইট উড়ায় মারি এরকম ঝা চকচকে সুন্দর গাড়ির হর্ন… এই হুতামা দোজখের মত অবস্থায় জ্বরমুখ নিয়ে বসে থাকা যায়।

রিকশায় বসে নিজেকে ওয়ার্কিং ক্লাস হিরো মনে না হলে, জ্বরকাশি ব্যাপারটা জমে না। জ্বরের চাইতে ভয়ানক কিছু হলে আবার অন্য কথা। বড় অসুখ আর জেলখানা, এই দুইটা সিচুয়েশনের সময় নিজেকে বুর্জোয়া হলে ভালো লাগে। কারণ হাসপাতাল আর জেলে ওয়ার্কিং ক্লাসকে কেউ দেখতে পারে না। গরীব সেখানে বিষ্ঠাসদৃশ্য। যাই হোক, সেই প্যাঁচাল আরেকদিন।

হাটতে হাটতে লেকসাইড রাস্তাটায় উঠলাম, বাসা কাছেই। রাস্তার মুখে জমজমাট ব্যাপার স্যাপার। লোকজন গমগম করছে। মহামারীর হোগামেরে সবাই হাসতে ব্যাস্ত। না না, শুধু গরীব মানুষ না। বেশীরভাগই “শিক্ষিত মধ্যবিত্ত”।

ভার্সিটি পড়ুয়া একদল কাগজ টোকাই, কারওয়ান বাজারের সংবাদ পাড়ার সাংবাদিক, আশেপাশের ফিল্মপাড়ার জ্ঞানীগুণী সব “আটিস” আর পৈতা, গাড়ি-বাইক নিয়ে “চিল” করতে আসা কোকিলা বেহেন, সবাইকে দিয়ে এলাকা ভেসে গেছে। সবাই চা-নাস্তা খাচ্ছেন আর দাঁত বের করছেন। টুথপেস্টের কঠিন একটা অ্যাড হয়ে যেত মাইরি। একেবারে করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি আর woke ব্র্যান্ড ইমেজ দিয়ে ধুয়েমুছে ইন্সপিরেশনাল মানবিক অ্যাড। কপিরাইটার আবেগ দিয়ে স্ক্রিপ্ট লিখতো, ব্র্যান্ড ম্যানেজার “জমসে” বলে হেসে দিতো, আর ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে বস গিয়ে ছবি তুলে আসতো। “এটা তোদেরই অ্যাওয়ার্ড” বলে সুন্দর করে বস্তুটা শোকেসে ঢুকায় রাখতেন, আর অ্যাপ্রেইজালের সময় সবাইকে ঢুকায় দিতেন।

যাইহোক, মধ্যবিত্তে ব্যাক করি। মজার জিনিষ হলো এই মানুষগুলাই লকডাউনের শুরুতে শুরুতে পথে-ঘাটে থাকা “অশিক্ষিত” “গরীব”দের গালি দিয়েছে। “এদেরকে মারে না কেন পুলিশ”, “এরাই দেশটা ডুবালো” টাইপের ডায়লগ মেরেছে। আর এই মানুষগুলাই এখন গ্লোরিয়া জিনসের গ্লোরিয়াস জিনিষের টানে বানে ভাসা খরকুটোর মত সবজায়গায় ঘুরে বেরাচ্ছে। আচ্ছা না, খরকুটো ভালো জিনিষ। বায়োডিগ্রেডেবল। মধ্যবিত্ত হচ্ছে প্লাস্টিক, সিগারেটের মোতা। কোনো কারন ছাড়াই নিজেরে নিজে রোমান্টিসাইজ করে, নিজেরে অনেক কিছু মনে করে, কিন্তু দিন শেষে এদের আসল কাজ হচ্ছে পরিবেশ দূষণ করা।

ক্লাস স্ট্রাগল বলে একটা জিনিষ আছে। আমাকেই ধরেন, আমি এই যে যা করেছি জীবনে এর পেছনে আমার নিজের ক্রেডিট ২ পারসেন্ট। বাকি ৯৮ পারসেন্ট হচ্ছে স্রেফ কিসমত। একটা লটারীতে জিতে আমার বাপের ঘরে পয়দা হইসি। এজন্যে শিক্ষাস্থান ছিলো বেটার, চাকুরীর স্থান পেয়েছি বেটার, এখন যা করছি তাও পিত্রদেবের কৃপা। তাও ভাল্লাগে না, ছাল্লাগে না, কত ড্রামা। আমার জায়গায় অন্য যে কেউ হলেও এই সেম “সাকসেস”-ই তার থাকতো।

এরকম আরো অনেকেই আছেন। লটারী জেতা মানুষ। বড়লোক ঘরের ছেলেপুলে এই লটারী ব্যাপারটা খুব ভালো করে বোঝে। এজন্যেই এরা তাদের বাপ মা কে পারলে মাথায় তুলে রাখে। তারা বুঝে এই বাপ-মার ঘরে পয়দা না হলে তাদের যে লাইফস্টাইল তারা তা কোনোদিনই পাইতো না। আমরাই খালি বুঝি না। আমরা, যত্তসব মধ্যবিত্ত সিগারেটের মোতা। আমরা ভাবি পুরাটাই আমাদের “ক্রেডিট”। আমাদের ভেতরই ক্লাস স্ট্রাগলের কোনো বালাই নেই, নেই ক্লাস সলিড্যারিটি।

অথচ আপনার ক্লাস আপনাকে যেই শিক্ষার অ্যাকসেস দিচ্ছে, সেই লেভেলের শিক্ষার রাঙ্গামাটির সুবিধাবঞ্চিত বাচ্চারা পাচ্ছে না। সেই শিক্ষাকে কাজে লাগায়েই আপনি আপনার লিঙ্কডইন প্রোফাইল “স্কিলজ” দিয়ে ডুবায়ে ফেলতেসেন। কিন্তু দিন শেষে বলতেসেন সবই আপনার ক্রেডিট। দুই পার্সেন্ট ক্রেডিট হইলেও অন্তত আপনার ক্লাসরে দেন ভাই। (ভাই বললাম কারন আপুদের অবস্থাতো আরো খারাপ। গ্রামের মেয়েগুলা একেতো ক্লাস, তার ওপর প্যাট্রিয়ার্কির মাইর খেয়ে খেয়ে, অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে।)

ক্লাস স্ট্রাগল শুধুমাত্র স্কুল কলেজেই সীমাবদ্ধ না। ধরেন আপনার দামি মোবাইল, আপনি বলবেন এটা আমার বেতনের টাকায় কেনা। সেটা সম্ভব একমাত্র কারন আপনার টাকায় আপনার সংসার চলে না। আপনি ঘুরে ফিরে বুলগগি আর রিবআই খেয়ে বেরাইতে পারেন কারন আপনার দেশের বাড়ীতে প্রতি মাসে চাল কেনার টাকা পাঠাইতে হয় না। আপনি যে চাকুরী করছেন সেটার জন্যে যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ সবাই টানতে পারে না। সবাই এডেক্সেলের খরচ, বা ভিকারুন্নিসার খরচ বা মেডিক্যাল ভর্তি কোচিংয়ের খরচ টানতে পারে না। এজন্যেই লাখো রিকশাওয়ালার সন্তানেরা “অশিক্ষিত” রয়ে যায়। সোজা বাংলা কথা, আজকে এই যে আপার-মিডল ক্লাস পোলাপান বাসায় বসে ওয়ার্ক ফ্রম হোম আর অনলাইন ক্লাস করছেন, আর্ট করছেন আর শেফ হচ্ছেন, এটাই প্রমান যে আপনি যে সুযোগটা পাচ্ছেন সেটা গাড়ীর মেকানিক সুজনের ছোটো বোনটা পাচ্ছে না। আশা করছি আমার পয়েন্টটা বুঝতে পারছেন।

এই দেশের যত “গরীব” আছে, তাদের যত “দোষ” আপনারা ধরেন, আর নাক সিটকান। আপনাদের প্রগ্রেসিভ ঘরের “ডিনারের” আড্ডায় এদের ভেতরকার বিগটরি নিয়ে আপনারা “ডিসগাস্ট ফিল” করেন।

এদের এই সমস্ত “দোষের” ৯০ শতাংশ দায়ভার আমি এজন্যে মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্তের ঘাড়ে চাপায় দিবো। কারন এই “গরীবরা” কখনো “হোমোফোবিয়া” কি, বা “ইনডকট্রিনেশন” কি, বা “ফেমিনিজম” কি, বা “ক্যাপিটালিজম” কি, “গণতন্ত্র” কি, “হিউম্যান রাইটস” কি, “জেন্ডার” কি, “মেন্টাল হেলথ” কি, “সোশ্যাল কন্সট্রাক্ট” কি, “কনসেন্ট” কি, তা বোঝার মত শিক্ষা অর্জন করার সুযোগই পায় নি। দোষ আমাদের কারন আমরা পেয়েছি। সেটা আমরা ব্যবহার না করে, আমরা সবাই টোকাইয়ের মত এক টুকরো ডিগ্রি কাগজ হাতে নিয়ে বসে বসে মোয়া খাচ্ছি।

না এ হতভাগা মানুষগুলাকে দিচ্ছি ক্লাস ইক্যুয়ালিটি, না দিচ্ছি একটা চান্স- সোশ্যাল মোবিলিটি পাওয়ার। উল্টা ক্লাস সলিড্যারিট বা এমপ্যাথিটা পর্যন্ত দিচ্ছি না। উল্টা কথায় কথায় বড়লোকের চুরি করা ধন সম্পদের পাহাড়কে ডিফেন্ড করতেসি। একটু হলেও লজ্জা করা উচিত এই মধ্যবিত্ত আমাদের।

যাই হোক, সামারি হচ্ছে আমার জীবন ও জীবনের যা কিছু আছে, আমি সেগুলোর কিছুই ডিসার্ভ করি না। সব লটারী জেতা।

Photo by Ave Calvar Martinez on Pexels.com

অফিস থেকে বের হলাম সন্ধ্যার একটু পরে। অনেক গরম গরম অফিস। গরম গরম পদবী আমার, সিনিয়র ম্যানেজিং ডিরেক্টর। গরমে ঘামি আর বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করি। কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে হাটা দিলাম, বাসায় যেতে বেশীক্ষন লাগবে না। রাস্তাটা পার হতেই বৃষ্টি ধরে ফেললো। কোয়ারেন্টিনের ছয় মাস পুরোনো দাড়িগোফের জঙ্গল, মাথায় বাবরি আর পায়ে সস্তা স্কয়ার হাসপাতালের স্লিপারের কথা ভেবেই মনটা ভালো হয়ে গেলো। যাক, আজকে ভেজা যাবে। হাটতে হাটতে লেকসাইড রাস্তাটায় উঠলাম, বাসা কাছেই। রাস্তার মুখে জমজমাট ব্যাপার স্যাপার। লোকজন গমগম করছে। হেটে হৈচৈ পার হয়ে নিরিবিলিতে চলে এলাম, বাকী রাস্তাটা এমনই যাবে।

গোধূলি বৃষ্টি আর সোঁদা গন্ধ। রাস্তার অপরপাশের ফুটপাথে তিনটা ছেলে বসা। হাতে প্লাস্টিকের ব্যাগ শুঁকছে। আমার দিকে তাকালো সবাই। দূর থেকে দেখে মনে হয় জম্বি। অ্যাপোকালিপস চলছে, সেই অ্যাপোকালিপসের জম্বি।

কানে টোয়ালাইট অফ দ্যা থান্ডারগড গানটা শুরু হল। চমৎকার একটা গান। বৃষ্টির মাঝখানে দাঁড়িয়ে গেলাম। মজার ব্যাপার হচ্ছে ধারনা করা হয় অরিজিনাল নর্স-জার্মানিক লোকগাথার অনেকখানি পরিবর্তন করা হয়েছে খ্রিস্টান ইউরোপিয়ানদের হাতে। নর্স-জার্মানিক লোকগাথার বই আইসল্যান্ডিক পোয়েটিক এডা এবং প্রোস এডার অনেকটা এই ইউরোপিয়ানরা নতুন করে তাদের ধর্মের আকারে লেখে। সবচেয়ে লুডাক্রিস ক্লেইম হচ্ছে, অরিজিনাল নর্স মিথে লোকি নামে কোনো ক্যারেক্টারই নেই, এটা নাকি সম্পুর্ন খ্রিস্টানদের বানানো, “ডেভিল” ক্যারাক্টারের ছায়া অবলম্বনে বানানো লোকি। ব্যাপারটা যদিও ডিবেটেবল। একগাদা জ্ঞানী মানুষ এগুলা নিয়ে দিনরাত ঘাটাচ্ছেন। আমার পার্সোনাল অপিনিয়ন হচ্ছে। হিস্টোরী এবং অ্যান্থ্রপলজীর দিক থেকে দেখে ধর্ম ব্যাপারটা অনেক মজার।

যাই হোক, কানে টোয়ালাইট অফ দ্যা থান্ডারগড গানটা শুরু হল। চমৎকার একটা গান। বৃষ্টির মাঝখানে দাঁড়িয়ে গেলাম। মাথা ভর্তি চুল-দাঁড়ি, আর কানে নর্স ফোকমেটাল! নিজেকে থর মনে হচ্ছিলো। থর ওডিনসন। পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যাক্তি ছিলো ওডিন, তার সন্তান থর। থরের জীবনের একটা শেষ গোল, সেটা হচ্ছে র‍্যাগন্যারকের সময় জরমুনগ্যান্ডর নামক এক “ইভিলের” সাথে যুদ্ধ করে মরে যাওয়া। গানটা সুন্দর, লিরিক্স সুন্দর।
“Twilight of the thunder god, Ragnarök awaits”

গান শেষ হলো। ক্ষণিকের নীরবতা। বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে দাড়িয়ে ভিজছি। পেছন থেকে তিন জম্বির পায়ের শব্দ দ্রুতবেগে এগিয়ে আসছে। সামারি হচ্ছে আমার জীবন ও জীবনের যা কিছু আছে, আমি সেগুলোর কিছুই ডিসার্ভ করি না। সব লটারী জেতা। “লাস্ট স্ট্যান্ড অফ ফ্রেই” গানটা শুরু হল। এই গানের লিরিক্স আরো সুন্দর।

“…I am calm and ready to die
Everything around me burns
And I know that I will not survive”

“This fight is mine and mine alone
and there’s no help from anyone!”

“I go forth to meet my doom
but I will die in vain
perdition waits for everyone
The world will die in flames”

“And as he swings his burning sword
I die with a tired smile!”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s