All the Beasts of Heaven

“You will eat when I say, you will sleep when I say, you will kill when I say.
When we find them, we will eat their beating hearts.”

এসএনএল নামক জঘন্য এক নিওলিবারেল ভাঁড়ামি শোতে এই ডায়লগটা শুনেছিলাম। সেখানে প্রথম শুনি টার্মটা- all the beast of heaven. ওই শো-এর এক স্কেচে, এক আফ্রিকান ওয়ারলর্ড তার বাচ্চা সৈনিকদের এই আদেশগুলো দিচ্ছিলো। ভয়ানক আদেশ-

“যখন খেতে বলবো খাবে, যখন ঘুমাতে বলবো ঘুমাবে, যখন খুন করতে বলবো খুন করবে।
তাদের যখনই আমরা খুজে পাবে, তাদের হৃৎপিণ্ড কাঁচা খেয়ে ফেলবো!”

গ্রুসাম একটা ব্যাপার। যাই হোক, ব্যাপারটা মোটেও কাল্পনিক ছিলো না। আফ্রিকাতে যে লুটপাট হচ্ছে তার জন্যে একাংশে দায়ী এই রকম ওয়ারলর্ড অনেক আছেন। তাদের এরকম অন্ধ ভক্তও আছে। এই রকমের অন্ধভাবে কোনো আইডল বা নেতাকে ফলো করাকে ক্ষেত্রভেদে পলিটিক্যাল সায়েন্সের ভাষায় বলা হয় “কাল্ট অফ পার্সোনালিটি” এবং/অথবা “অ্যাপোথিওসিস“। দুঃখজনক ভাবে এই আম-দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ এই “অ্যাপোথিওসিস” ছাড়া মোটামুটি কিছুই বোঝে না। আমি আগেই বলে নেই আমি সোশলজিস্ট বা পলিটিক্যাল সায়েন্টিস্ট না। আমি ইন্টার ফেল, ফাকুন্দা প্যাঁচাল পাড়া লোক। ফাকুন্দা প্যাঁচাল শব্দটা আমার নিজের আবিষ্কার। কোথায় প্যাটেন্ট করা যায় কেউ জানালে উপকৃত হতাম।

যাই হোক প্যাঁচালে ব্যাক করি।
কাল্ট অফ পার্সোনালিটি বা কাল্ট অফ লিডার-কে পলিটিক্যাল সায়েন্সের ভাষায় বলা হয় সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনিক। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সামাজিক বিজ্ঞানের একটি টেকনিক। এই টার্মটা দিয়ে টার্গেট জনগণের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মনোভাব সৃষ্টি করা, এবং সামাজিক আচরণকে প্রভাবিত করার প্রচেষ্টাকে বোঝায়।

কাল্ট অফ পার্সোনালিটি দেখা দেয় যখন কোনও দেশের ব্যাক্তি/গোষ্ঠী – গণমাধ্যমের অপব্যবহার, প্রপাগান্ডা, বিগ লাই (এই টেকনিকটা স্বয়ং অ্যাডলফ সাহেবের সৃষ্টি), অন্যকে দোষারোপ, নানান ধরণের পাবলিসিটি স্টান্ট, সংস্কৃতি বা দেশপ্রেমের দোহাই এবং রাষ্ট্র ও প্রাইভেট ফান্ডেড অর্গানাইজেশন/প্রোটেস্ট/অ্যাকশন ইত্যাদি ব্যবহার করে তাদের পছন্দের লিডারের আদর্শ, বীরত্বপূর্ণ এবং মোটামুটি উপাসনামূলক একটা ইমেজ ক্রিয়েট করে।

সোজা বাংলায় বলতে গেলো অন্ধভক্ত সৃষ্টি করা। সাধারণত অনেকে এটা জেনে বুঝেই করেন। মাঝে মাঝে চেষ্টা না করলেও অন্ধভক্ত সৃষ্টি হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নেতার যতটুকু দোষ, ভক্তের দোষও ঠিক কতটুকু।

অন্যদিকে, অ্যাপোথিওসিস মানে বুঝতে হলে আপনাকে থিওলজিস্ট হতে হবে। আগেইন, আমি থিওলজিস্ট না। আমি ইন্টার ফেল, ফাকুন্দা প্যাঁচাল পাড়া লোক। ফাকুন্দা প্যাঁচাল শব্দটা আমার নিজের আবিষ্কার। কোথায় প্যাটেন্ট করা যায় কেউ জানালে উপকৃত হতাম। যাই হোক, অ্যাপোথিওসিস মানে হচ্ছে কোনো একটা বস্তু, জীব, ঘটনা, গোষ্ঠী বা ব্যাক্তিকে মাথায় তুলতে তুলতে মোটামুটি উপরওয়ালা লেভেলে নিয়ে যাওয়া।

ম্যাক্রো লেভেলে- ধরেন কোনো এক দৈনিক পত্রিকার মালিক যদি তার দৈনিক পত্রিকা ব্যবহার করে তার পরিবারের সদ্য প্রয়াত কোনো সদস্যের নামে মিথ্যাচার ও মিথ্যা ঘটনার কাল্পনিক গল্প (বিগ লাই) সৃষ্টি করে সেই দৌহিত্রকে হিরো বানানোর অপচেষ্টা করে, তাহলে সেটা কাল্ট অফ পার্সোনালিটি বানানো এবং অ্যাপোথিওসাইজ করার অপচেষ্টা হিসেবে বলা যায়।

Photo by AP Photo/A. M. Ahad

অথবা ধরেন এক দেশ যখন জিডিপি পার ক্যাপিটায় পাশের দেশের চেয়ে নিচে পরে যায়, তখন তাদের নেতৃত্বে থাকা পার্সোনালিটির (লিডারের) যে কাল্ট (অন্ধভক্তগণ) সে কাল্টের চালানো মিডিয়া এই জিডিপি ব্যার্থতার দায়ভার কোনো অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে (বিগ লাই) দেয়ার জন্যে উঠেপড়ে লাগবে। এই অন্য কিছু হতে পারে প্যান্ডেমিক, জনগোষ্ঠী বা অন্য দেশ।

সোজা কথা প্রোপাগান্ডা চালায়ে একজন মানুষ/গোষ্ঠিকে ঈশ্বর সমতুল্য করে তুলবে। এ মানুষটা মহামানব। এই মানুষ সচ্চরিত্র। এই মানুষ মহাজ্ঞানী। এই মানুষ যা বলবে তাই রাইট। আমাদের নেতা। আমাদের হিরো। আমি-আমরা, দেশ ও জাতির যত অ্যাচিভমেন্ট আমাদের তার পেছনে মুল হিরো এই মানুষটা। এই মানুষ কোনো ভুল করতে পারে না। এবং একমাত্র মানুষই পারে মানুষ ও সমাজের জন্য কিছু একটা করতে।

মাইক্রো লেভেলে, আসেন আপনার নিয়ারেস্ট “বড়ভাই”-কে দিয়েই দেখা যাক। ধরেন এলাকার আদুভাই বড়ভাই। বড়ভাইয়ের চ্যালারা সারাদিন ভাইয়ের গুণগান করেন। কোথাও কোনো অকারেন্স ঘটলে, সবাই বলে ভাইয়ের তো দোষ নাই- অ্যান্টি পার্টি আগে গ্যাঞ্জাম শুরু করসে। বড়ভাই মাঝে মাঝে গার্লস স্কুলের সামনে অন্য ছেলেদের শাসান। এলাকার কিছু আঙ্কেল বড়ভাইয়ের নামে সারাদিন খুশি। এবং কেউ উনার অবাধ্য হলে সর্বদা একদল “ফলোয়ার” রেডি থাকে “প্রোটেস্ট” করতে। আপনি নগেন, এলাকায় নতুন আসছেন। আপনি আসার পর থেকেই উনার গুণগান দেখছেন। সেদিন শুনলেন কিছু “বেদ্দপ” পুলাপান ভাইয়ের সামনে বিড়ি ধরানোর মত ওপেন বেয়াদবি করায় গজারী ট্রিট্মেন্ট খেয়েছে। পরের দিন দেখলেন ভাই গার্লস কলেজের সামনে ইভ টিসিং থামানোর জন্যে নিজে গার্ড দিচ্ছেন। আর একদিন আপনি গিয়ে বললেন ভাই, “আমি একজনকে চাই, কিন্তু তার বয়ফ্রেন্ড আছে”। ভাই বললেন “সমস্যা নাই, তুই চালিয়ে যা। ভাই আছে না!”

আপনি বললেন ভাই, “ভাই আপনি আমার সব ভরসা। আপনি ছাড়া কেউ নাই আমাকে এই দুনিয়ায় দেখার”।
আপনি একজন মানুষকে মনে মনে ঈশ্বর সমতুল্য করে ফেলেছেন। এ মানুষটা মহামানব। এই মানুষ সচ্চরিত্র। এই মানুষ মহাজ্ঞানী। এই মানুষ যা বলবে তাই রাইট। যত অ্যাচিভমেন্ট আপনার তার পেছনে মুল হিরো এই মানুষটা। এই মানুষ কোনো ভুল করতে পারে না। এবং একমাত্র মানুষই পারে কিছু একটা করতে।

ব্যাপারটা শুধু লোকাল বড়ভাইয়ের কেসে না। আমি-আপনি আমরা সবাই বিভিন্ন কাল্ট অফ পারসোনালিটি ফলো করি। বিভিন্ন মানুষকে অ্যাপোথিওসাইজ করি। জেনে করি, না জেনে করি।

অন্যান্য আরো অনেক বড়ভাই আছে, সে ডাক্তার হোক, পুলিশ হোক, বড় ব্যান্ডের গিটারিস্ট হোক আর অফিসের উপরতলার ভাই হোক- আপনি অটো নিজে নিজেই ঢুকে যাচ্ছেন কাল্ট অফ পার্সোনালিটিতে। ধরেন আপনার প্রিয় সেলিব্রেটি- সে রোনালদো হোক, মেসি হোক, কোবি ব্র্যায়ান্ট হোক। আপনি তার সব দোষ ঢাকার চেষ্টা করবেন। তার গুণগান করবেন। রেপ অ্যালেগেশন? চলেন শুরু করি ভিক্টিম ব্লেমিং। ট্যাক্স ফ্রড- দোষ দেই সেই দেশের সরকারের।

আপনার প্রিয় লেখক বা শিল্পী- সে কাউকে আক্রমণ করছে হাততালী দিচ্ছেন। কেউ তাকে আঘাত করছে, ক্ষেপে যাচ্ছেন। যথারীতি আক্রোশে ফেটে পড়ছেন। আগেইন, এক্ষেত্রে নেতার যতটুকু দোষ, ভক্তের দোষও ঠিক কতটুকু। ভক্ত চেটে আইডলকে মাথায় উঠাইতে রেডী থাকে দেখেই আইডলরা এই রাস্তা ধরে লাভের আশায়।

এরকম আর কই কই এরকম আম আদমিদের চেটে মাথায় উঠাইতে দেখসেন অন্য মানুষদের দ্বারা? মাথায় কিছু না আসলে ইউটিউবে যান, কইলজা জুড়ায় যায় টাইপ কন্টেন্ট দেখলেই বুঝে যাবেন। নইলে সুশীল গ্রুপ গুলাতে যান, অমুক পিএইচডি স্যার বা তমুক ক্ষমতাশালী আঙ্কেল বা শামুক “পশ” আপ্পির পেছনে চাটতে থাকা জিহ্বাগুলা দেখলে বুঝতে পারবেন। যাই হোক, আমি প্যাঁচালে ব্যাক করি।

এক কালে বাঙালী “সুশীল সমাজ” পলিটিকাল নেতাদের নিয়ে এইই তামাশাটা করতো। উইন্সটন চার্চিলের মত জঘন্য একটা মানুষকে এই দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ ক্যামনে পূজা দেয় এটা আমার মাথায় ঢোকে না। ব্যাপারটা সাক্ষাত স্টকহোম সিন্ড্রোম ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই মনে হয় না। সব নেতার হাতে রক্ত থাকে, চার্চিলের হাতে রক্তটা অনেক বেশী।

বর্তমান যুগের ডিগ্রী টোকাই “ইয়ুথ” যদিও পলিটিক্স নিয়ে কথা বলতে চায় না, কিন্তু অ্যাপোথিওসিস ঠিকই করে। দেশী/দেশী পয়সাওয়ালা ধন-কুবেরদের নিয়ে আমরা গরীব মানুষরা এই কাজটা বেশী করি। সামহাউ আমরা ধরে নিয়েছি যার যত বেশী টাকা সে তত বেশী চালাক এবং হার্ড-ওয়ার্কিং। অথচ ব্যাপারটা মোটেও সত্য নয়। এখানে বিলিয়িনিয়ারদের নিয়ে র‍্যান্ট নাই শুরু করি। জাস্ট ধরে নেন আপনি যদি একজন “এন্ট্রাপ্রিনর” হন এবং সকাল সন্ধ্যা বেজস, ড্রাইভার মালেক, বা ইলন মাস্কের মত লোকদের পূজা দেন, তাইলে আমি আপনাকে নিয়ে বন্ধুদের চায়ের আড্ডায় উচ্চস্বরে হাসাহাসি করি।

কর্ম আর বড়লোক হওয়া দুইটা ডিফারেন্ট জিনিষ।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে, মিশরের ফারাওরা কাল্ট অফ পার্সোনালিটির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এই ফারাওদের অনেক অনেক কাল্ট ছিলো যারা তাদের ঈশ্বর মানতো এবং অন্যদের জোর করে মানাতো।

মিশর যখন গ্রীকদের (হেলেনিস্টিক ইজিপ্ট) আন্ডারে চলে গেলো তখন মিশরের গ্রীক ফারাওরাও তাদের আগের ফারাওদের টক্কর দেয়ার জন্যে তাদের নিজেদের পূর্বসূরী আলেক্সান্ডার দ্য গ্রেটকে মোটামুটি এই ঐশ্বরিক লেভেলে নিয়ে যায়। এশিয়াতেও এই কাজ করা হতো। চাইনিজ সম্রাটরা “ম্যান্ডেট ফ্রম হেভেন” নামে একটা জিনিষ পাওয়ার দাবি করতো। এর মানে হচ্ছে, তারা স্বর্গ থেকে রাজত্ব করার লাইসেন্স নিয়ে এসেছে। এই কাজ গুলা কিন্তু এইসব রাজারা ধর্ম কম; রাজনীতি ও ক্ষমতার জন্যে করতো বেশী। মেডিভাল আমলে তো এই নিয়ে সাক্ষাত রাজনীতি চলতো। বিশ্বাস না হলে পোপ আর হলি রোমান এম্পায়ারের কাহিনী গুলা ঘাটায়েন।


কারন দিন শেষে এই পুরা কাল্ট অফ পার্সোনালিটি ব্যাপারটা করার পেছনে এক্টাই কারন। ক্ষমতা। একজনের হাতে থাকবে ক্ষমতা।

এই ডিভাইন এম্পেরর ব্যাপারটা নিয়ে একটা রিসেন্ট স্টোরি বলি। স্টোরিটা হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। জাপানে আণবিক বোমা ফেলে গনহত্যা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার স্টালিনগ্রাড বিজয়ী সাইবেরিয়ান ডিভিশনগুলো মাঞ্চুরিয়ান বর্ডার দিয়ে ধেয়ে আসছে। এই রকম পরিস্থিতিতে জাপানের ১২৪তম সম্রাট হিরোহিতো আত্মসমর্পন করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

এরপর প্যাসিফিক থিয়েটারের অ্যামেরিকান জেনারেল ডগলাস ম্যাকআর্থার পরলেন একটু বিপদে। জাপানে সম্রাটকে মোটামুটি গড লেভেলে দেখা হত। বাড়ায়ে বলতেসি না। আসলেই এরা সম্রাটকে এভাবেই দেখতো। তো এই সম্রাটকে মেরে ফেললে বা জেলে দিলে সমস্যা, পাবলিক থামানো যাবে না। তার ক্ষমতা না কমাইতে পারলেও সমস্যা, দুইদিন পরে আবার এই সম্রাটের উসিলায় একটা গ্যাঞ্জাম লাগবে। ম্যাকআর্থার সাহেবের নিজেরও সম্রাটের উপর ক্ষোভ ছিলো। একটু প্রতিশোধও নিতে চেয়েছিলেন। সুতরাং জেনারেল ম্যাকআর্থার একটা কাজ করলেন। তিনি হিরোহিতোর আত্মসমর্পনের পর একটা ছবি তুললেন। তুলে সেই ছবি সমস্ত পত্র-পত্রিকায় ছাপানোর আদেশ দিলেন।

ছবিতে বিশাল আকার রাফটাফ ম্যাকআর্থারের পাশে দাঁড়ানো ছোটোমোটো অসহায়মত দেখতে মানুষটা সম্রাট হিরোহিতো। ছবির পেছনে মনভাবটাই ছিলো যে এই সম্রাট কোনো মহামানব নয়, সে ছোট্ট একটা মানুষ। এক ছবিতে একটা আস্ত কাল্ট অফ পার্সোনালিটি ভাঙ্গার চেষ্টা। বলাইবাহুল্য ছবিটা কাজে দিয়েছিলো।

সুত্র- উইকি

এখানে এই ছবি নিয়ে কিছু বিশ্লেষণ আছে।


ইংলিশ মিডিয়াম রাজনীতিতে আসি। ইংলিশ মিডিয়াম রাজনীতিতে দুই পক্ষ। বাম আর মধ্যম, (খুব কমই ডানপন্থী। ডান রাজনীতি করে অশিক্ষিতরা। ইংলিশ মিডিয়াম হচ্ছে ফরেন শিক্ষিত। তো আমার জেনারেশনের এই দুই পক্ষের মধ্যে যেইটা দেখিই সেইটা হচ্ছে কমিউনিজম নিয়ে সংঘর্ষ। এখানেও কিছু বেক্কল কাল্ট বানায় বসে আছে। একদিকে একদল ট্যাঙ্কি গর্ধব স্টালিনের মত এক মহা-জেনোসাইডাল ম্যানিয়াককে কমিউনিজমের সিম্বল বানায়ে মনে মনে “রেভ্যুলুশনের মলোটভ ককটেলের” আকাশ কুসুম মোয়া খাচ্ছে। অন্যদিকে এই ট্যাঙ্কিদের ভয়ে একঝাক ইউরোপ ফেরত বলদ উইন্সটন চার্চিলের গণহত্যা, বেজোসের শ্রমিক নিধন আর অ্যামেরিকান মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সকে জাস্টফাই করার চেষ্টায় ব্যাস্ত। আশেপাশের মানুষের দুঃখকষ্ট না দেখে, বইয়ের দিকে তাকায়ে তাকায়ে আগেই মিলিট্যান্ট হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।

এ সকল মিলিট্যান্ট এক্টিভিস্টদের নিয়ে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম দুইদিন আগে।

Observation: 640
Militant activism.

Mostly militants/partisans fool themselves by thinking that they actually give two shits about the cause they’re working for.
They don’t.

They’re in it for the fight. The “us vs them” narrative. The “they caused this. They are bad. We are superior and we will defeat them” Narrative.

This is why you’ll see militant atheists behave like religious cults. Militant feminists demand unequal systems such as misandry and SWERF/TERF. Militant leftists believe in dumbass right-wing ideas such as “nationalism” and “elitism”.

Because these “activists” never studied the sole cause they’re fighting for. They can’t take criticisms of their cause. They’re not here for discourse and doing the right thing. They are here to fight the hypothetical fight. Stupid youngbloods, and pretentious old shits. Pretending to solve all the world’s problems with fistfights.

And honestly, when the real fight comes… Well. At least the right-wingers don’t disappear.


Shadhin | স্বাধীন 
https://shadhin.home.blog
opinions my own.
#shadhinposting


সামারী হচ্ছে সচেতন থাকেন। পৃথিবী বদলাইতে একজন মহামানুষ লিডার না, ১০০ জন সাধারণ মানুষ লাগে। নিজে সচেতন হোন, প্রপাগান্ডা বা “ফেইক নিউজ” ছড়ানোর আগে ভাবুন। নিজের কগনিটিভ ডিসোন্যান্স আর সোসাইটাল প্রিভিলেজ আনলার্ন করার চেষ্টা করেন। (এগুলা না বুঝলে গুগল করেন ভাই আর লিখুম না)

নিজে প্রভাবিত হবেন না, অন্যকে অজান্তে প্রভাবিত করবে না।

যাই হোক তিনটা কোটেশন দিয়ে শেষ করবো
প্রথমটা জর্জ বার্নার্ড শ সাহেবের, দ্বিতীয়টা নিকোলো মাকিয়াভেলির, তৃতীয়টা হেক্টর হিউ ম্যুনরো (ছদ্মনাম-সাকি)-এর।

Democracy is a device that insures we shall be governed no better than we deserve.

George Bernard Shaw, The Collected Works of George Bernard Shaw

My intention is to write something useful for anyone who is capable of intelligent understanding.

Niccolò Machiavelli, The Prince

He laughed strangely, smoky, sympathetic like a giggle and restless like a growl.

Saki, Beasts and Super-Beasts

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s