Dearly beloved, part 6: প্রিয় ‘ছোটলোক’ বয়ফ্রেন্ড

“Dearly beloved” is a series of love letters sent and received over a period of one hundred years.

07/06/1920

প্রিয় ‘ছোটলোক’ বয়ফ্রেন্ড

তোমার সাথে আমার ব্যাপারটা আমার আঙ্গুলের নখের ম্যাজেন্টা আর নীলের কম্বিনেশনে লাগানো নেইলপলিশের মতো, বা আবাসিক এলাকার লেকের ধারে সারাবছর ম্যারম্যারে হয়ে পড়ে থাকা গাছে হঠাৎ আগুন লাগার মতো করে ফুটে ওঠা গনগনে লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলগুলির মতো- অবশ্যম্ভাবী, রঙিন আর চোখ ধাঁধানো।

তবে আমি কিন্তু ঘোলা জলে দলছুট হয়ে ফুটে থাকা একটা মলিন কচুরিপানা ফুলের হালকা বেগুনি আভার দিকে চেয়ে থেকেও দিব্যি দু’বেলা কাটিয়ে দিতে পারি। আমার থার্ড আইটা টেট্রাক্রোম্যাট। তাই একান্তর কোণের অন্যপাশে অবস্থান করে থাকা প্রেমিকের ঠোঁটের স্পর্শে ০.০১ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে একজন খেয়ালী প্রেমিকার সারা শরীরের বদলে যাওয়া রঙ দেখে পুরো একদিন মুগ্ধতায় নাম্ব হয়ে থাকতে পারি। এসব কি তোমার কখনও জানা হয়েছে?

রিকশা, পেট্রোলের গন্ধমাখা শহুরে বাতাস, অথবা আটপৌরে বাঙালি আবহাওয়াকে প্রত্যাখ্যান করে রেস্টুরেন্টগুলোয় তৈরি করে রাখা অযাচিত ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঘুরে বেড়ানো বুর্জোয়া শরীরগুলোর নীরবতার দেয়ালে হিজিবিজি কথা লেখা। মাঝেমাঝে পুরানো শিলালিপির অর্থোদ্ধারের মতো সেসব নিয়েও দিন কাটানো যায় না কি?

না-ই বা হলাম বাংলা অ্যাকাডেমি স্বীকৃত ডাকসাইটে একজন ভাষা বিষারদ।
কথাগুলা কঠিন আর ভাষাটা দুর্বোধ্য হলো বটে। তবে সেসবকে সিরিয়াসভাবে নিয়ে ২২০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে ওভেনে বেইক করে ফেলার দরকার নেই। শুধু একটু জানিয়ে রাখলাম আর কি, বিবেচনায় রেখো।

ইতি,
ট্রাইক্রোম্যাটদের সমাজে নিজেদেরকে সর্বদ্রষ্টা ভেবে নেওয়াদের একজন,
অথবা, তোমার অভিহিত ‘প্রিভিলেজড’ গার্লফ্রেন্ড

Credit: WordPress Media Library

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s