Dearly beloved, part 8: শেষ

“Dearly beloved” is a series of love letters sent and received over a period of one hundred years.

17/06/1920

হিসাব করে দেখলাম, কাজ ছাড়া কারও সাথে বন্ধুত্ব হয় নাই। একটিভিস্ট বন্ধু আছে। কিন্তু ঐ প্ল্যাটফর্মটাই তো কাজের জন্য। এক তুমি… কোন কাজ, প্রয়োজন, কারণ মাথায় না নিয়ে উইকেন্ডে কত ভালো সময় যায়। ফেমিনিজমে চুলকানি নাই, হিজড়া বা প্রতিবন্ধী বলে গালি দিয়ে বসো না, নতুন একটা আইডিয়া নিয়ে কথা তুললে আঁতলামি বলে উড়ায় দেও না, উল্টা নিজেই অনেক নতুন কথা বলো। তোমার সাথে সব নিয়ে কথা বলা যায়। এটা সবার সাথে হয় না। এসবের ওপর বলতা যে আমিও তোমার প্রিয় মানুষ। সেটাও আমি আর কারও ছিলাম না। কারণ কথাই তো বলতাম না…

শেষে অ্যাটাচমেন্ট তৈরি হলো- the strongest one… আর সবচেয়ে সুন্দরটাই।
প্রথমে এটাও মেনে নিতে পারি নাই। ধরেই নিসিলাম জীবনে কারও সাথে অ্যাটাচড হবো না। কিন্তু তোমাকে জাস্ট অনেক চেষ্টা করেও অ্যাভয়েড করতে পারলাম না। আর শেষটায়… শেষে এসে কোনভাবেই হারাতে রাজী হলাম না।

জানুয়ারিতে গ্যাপগুলা চোখে পড়া মাত্র একটু একটু করে নিজের ওপর কন্ট্রোল হারাতে লাগলাম। তাইলে কি এই ছেলেটাও হারায় যাবে? সে অন্য গল্প। কিন্তু সামারি হলো, মানসিক চাপটা এড়ানো গেলো না। সো ফার, সবচেয়ে বাজে মানসিক চাপ। তার ফলে কী করলাম দেখতেই পেয়েছো গত কয় মাসে। নিজেকেই নিজে মেনে নিতে পারতেসিলাম না।

এনিওয়ে, এখন হারায়ে গেসে। মেনে নিচ্ছি। দেখি সামনে কী আছে।
আর এতদিন আমি প্রতিদিন নক দিয়েছি, সত্যি বলতে আমি ভাবতাম তোমার খারাপ সময় যাচ্ছে, নিয়মিত খোঁজ নেয়া উচিৎ। নাইলে তুমিই একসময় বলবা যে আমার বাজে টাইমে খোঁজ নেওনি। আমি জাস্ট আজ বুঝতে পেরেছি যে তুমি বিরক্ত হতে এবং আমার প্রতি তোমার একেবারেই কোন ভালো ফিলিংস নেই।
এখন থেকে দিবো না।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s